তরিকুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
“বাংলাদেশ আমার অহংকার” স্লোগানকে সামনে রেখে র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, জঙ্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র-মাদক উদ্ধার, চাঞ্চল্যকর হত্যা ও আলোচিত মামলার আসামিদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারি ও ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে র্যাব জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী একজন ট্রাক চালক। তার ১৩ বছর বয়সী বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বোন (ভিকটিম) অভিযুক্ত কাউসারের খালাতো বোনের ননদ।
গত ১৫ আগস্ট ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভিকটিমকে মেলায় ঘুরতে নেওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের করে নিয়ে যায় কাউসার। কিন্তু মেলায় না নিয়ে তাকে ফতুল্লা থানাধীন পশ্চিম নয়ামাটি রেললাইন এলাকার জনৈক আলম মিয়ার চারতলা ভবনের নিচতলার উত্তর পাশের ভাড়াটিয়া কক্ষে নিয়ে যায় কাউসার ও তার বন্ধু আওয়াল। সেখানে তারা ভয়-ভীতি দেখিয়ে নাবালিকা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ভিকটিমকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
পরে ভিকটিম অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্তরা একটি অজ্ঞাত অটোরিকশায় করে তাকে বাসায় পাঠিয়ে দেয়। রাতে প্রায় ১১টার দিকে বাসায় এসে ভিকটিম তার ভাই বাদী ইব্রাহিম হাওলাদারকে পুরো ঘটনাটি জানায়। পরবর্তীতে তিনি ফতুল্লা থানায় গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রচারের পর এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
মামলা রুজুর পর আসামিদের গ্রেফতারে র্যাব-১১ সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০ নভেম্বর ২০২৫ রাত ১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এজাহারনামীয় ১নং আসামি কাউসার (৩০), পিতা-মোজাম্মেল মুন্সি, ঠিকানা-পাগলা বউবাজার, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ–কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাব-১১।
গ্রেফতারকৃত কাউসারকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফতুল্লা থানা-পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।