নিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশের চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং ছাত্র আন্দোলনের আড়ালে একটি কুচক্রী মহল অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জাতীয় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীকে তিন মাসের জন্য বিশেষ ক্ষমতা দেওয়ার জোর দাবি উঠেছে।
সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী হারুন অর রশিদ এক বিবৃতিতে বলেন, “দেশের অভ্যন্তরে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একটি গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। দেশি-বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী গোষ্ঠীগুলো পরিকল্পিতভাবে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার অপচেষ্টা করছে। এই অবস্থায় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও জননিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনীকে পূর্ণাঙ্গ ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে মাঠে নামানো এখন সময়ের দাবি।”
তিনি আরও বলেন, অতীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যে ধরণের কার্যক্রম কার্যকর ভূমিকা রেখেছিল, তার আলোকে বর্তমানে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট-২’ পরিচালনা করা প্রয়োজন। রাষ্ট্রবিরোধী যেকোনো অপতৎপরতা কঠোর হস্তে দমন করতে সেনাবাহিনীকে এই বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া জরুরি বলে তিনি মনে করেন।
গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির আহ্বান
দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সকল ইউনিটকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশবিরোধী সব ধরণের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করার তাগিদ দিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, অরাজক পরিস্থিতিকে পুঁজি করে যাতে কোনো তৃতীয় পক্ষ ফায়দা লুটতে না পারে, সেজন্য প্রশাসনের কঠোর ও কার্যকর অবস্থান গ্রহণ করা এখন সময়ের প্রধান দাবি।