বাংলাদেশে রাইডশেয়ারিং শিল্পের সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) অ্যাপভিত্তিক সিএনজি রাইডশেয়ারিং সেবা বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে যাত্রী ও চালকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, গত ৩ মে বিআরটিএ রাইডশেয়ারিং সেবাসংক্রান্ত অংশীজনদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়। যদিও এই সিদ্ধান্ত এখনো কার্যকর হয়নি, তবে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, একটি স্বার্থান্বেষী মহলের প্রভাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
বর্তমানে দেশে ১৮টি রাইডশেয়ারিং প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত রয়েছে, যার মধ্যে তিন থেকে চারটি প্রতিষ্ঠান সক্রিয় রয়েছে। প্রায় ৩৫ হাজার যানবাহন এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে যাত্রীসেবা দিচ্ছে। অ্যাপভিত্তিক সেবা যাত্রীদের জন্য নিরাপত্তা ও সুবিধা বৃদ্ধি করেছে, যা আগে ছিল না।
সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, সিএনজি সেবা বন্ধ হলে যাত্রীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে এবং সরকারের রাজস্ব আদায়েও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। রাইডশেয়ারিং শিল্প গত এক দশকে বাংলাদেশের নগর পরিবহন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে এবং কর্মসংস্থান তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
অর্থনৈতিক দিক থেকেও এই শিল্প সরকারের রাজস্ব আদায়ে সহায়ক হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, অ্যাপভিত্তিক সিএনজি রাইডশেয়ারিং নীতিমালা থেকে বাদ দেওয়া হলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই তারা বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।