Skip to content
-
  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
একুশে বাংলা নিউজ একুশে বাংলা নিউজ

সত্যের পথে সময়ের সাথে

একুশে বাংলা নিউজ একুশে বাংলা নিউজ

সত্যের পথে সময়ের সাথে

  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • আইন-আদালত
  • খাদ্য ও পুষ্টি
  • ইসলামিক
  • ধর্ম
  • খেলাধুলা
  • শিল্প-সাহিত্য
  • পড়ালেখা
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • আইন-আদালত
  • খাদ্য ও পুষ্টি
  • ইসলামিক
  • ধর্ম
  • খেলাধুলা
  • শিল্প-সাহিত্য
  • পড়ালেখা
Subscribe
Close

Search

সারা দেশসোনারগাঁসোশ্যাল মিডিয়া

কে এই মোমেন শিকদার ও সোহেল, কোথায় তাদের ‘খুঁটির জোর’?

By একুশে বাংলা নিউজ
October 1, 2026 2 Min Read
0

কে এই মোমেন শিকদার ও সোহেল, কোথায় তাদের ‘খুঁটির জোর’?

সোনারগাঁ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের আনন্দবাজার গ্রামে মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও নানা অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘চাকদা ড্রেজিং প্রকল্প’ নামে দুটি ড্রেজার বসিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মেঘনা নদী থেকে বিপুল পরিমাণ বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এ কার্যক্রমের সঙ্গে মোমেন শিকদার ও হাড়িয়ার সোহেল নামের দুই ব্যক্তি জড়িত বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নদীর নাব্যতা রক্ষার কথা বলা হলেও প্রকল্পের আড়ালে অনুমোদিত সীমার বাইরে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বিশেষ করে রাতের আঁধারে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। এতে নদী তীরবর্তী জনবসতি ও স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে বলে জানান তারা।...
৭০

সোনারগাঁ প্রতিনিধি:

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের আনন্দবাজার গ্রামে মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও নানা অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘চাকদা ড্রেজিং প্রকল্প’ নামে দুটি ড্রেজার বসিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মেঘনা নদী থেকে বিপুল পরিমাণ বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এ কার্যক্রমের সঙ্গে মোমেন শিকদার ও হাড়িয়ার সোহেল নামের দুই ব্যক্তি জড়িত বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নদীর নাব্যতা রক্ষার কথা বলা হলেও প্রকল্পের আড়ালে অনুমোদিত সীমার বাইরে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বিশেষ করে রাতের আঁধারে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। এতে নদী তীরবর্তী জনবসতি ও স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে বলে জানান তারা।

বালু উত্তোলন বন্ধ ও ড্রেজার সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে স্থানীয়রা একাধিকবার মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন বলে জানা গেছে। তবে এসব কর্মসূচির পরও বালু উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন বাসিন্দা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, আনন্দবাজার ও আশপাশের এলাকা আগে থেকেই বিভিন্ন বিরোধকে কেন্দ্র করে স্পর্শকাতর। ড্রেজিং প্রকল্পকে কেন্দ্র করে বর্তমানে একাধিক পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেওয়ায় যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা বা সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন তারা।

এদিকে বৃহস্পতিবার প্রশাসনের হস্তক্ষেপে চাকদা ড্রেজিং প্রকল্পের দুটি ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তবে এ নিষেধাজ্ঞা কতদিন বহাল থাকবে এবং পরবর্তীতে আবার বালু উত্তোলনের কার্যক্রম শুরু হবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, মোমেন শিকদার ও সোহেলের সংশ্লিষ্টতায় পরিচালিত ড্রেজিং কার্যক্রমের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বালু উত্তোলন করা হয়েছে। তাদের আরও অভিযোগ, অনুমোদনের চেয়ে বেশি পরিমাণ বালু উত্তোলন এবং রাতের বেলায় নদী থেকে বালু তোলা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদন্ত ও প্রকল্পের অনুমোদন, ড্রেজিংয়ের পরিমাণ এবং পরিবেশগত শর্ত যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীর প্রশ্ন, মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলনের এই কার্যক্রম কার অনুমোদনে পরিচালিত হচ্ছে এবং প্রকল্পটির পেছনে কারা রয়েছেন? পাশাপাশি, নিয়মবহির্ভূতভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা আরও অভিযোগ করেন, মোমেন শিকদার ও সোহেল অতীতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে বিএনপির নাম ব্যবহার করে নিজেদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। তবে এ অভিযোগের পক্ষেও প্রতিবেদকের কাছে কোনো স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতার দাবি, কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের দায় রাজনৈতিক দলের ওপর চাপানো উচিত নয়। তাদের মতে, ড্রেজিং প্রকল্পকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধ দ্রুত নিরসন করা প্রয়োজন। অন্যথায় স্থানীয় পর্যায়ে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে এবং এর রাজনৈতিক প্রভাবও পড়তে পারে।

এলাকাবাসীর দাবি, আনন্দবাজার ও মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলনের বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকল্পটির বৈধতা, অনুমোদিত ড্রেজিং এলাকা ও উত্তোলিত বালুর পরিমাণ যাচাই করা হোক। পাশাপাশি নদীর তীর ও জনবসতি রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অবৈধ বালু উত্তোলন প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

Author

একুশে বাংলা নিউজ

সত্যের পথে সময়ের সাথে

Follow Me
Other Articles
Previous

বৈদ্যের বাজারে বহুল প্রতীক্ষিত আধুনিক ঘাটলা নির্মাণকাজের উদ্বোধন

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

স্বত্ব © ২০২৬ | একুশে বাংলা নিউজ