তরিকুল ইসলাম নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

গত ২৭ নভেম্বর ২০২৫। চিটাগাং রোড ওভারব্রিজের নিচে মো. ডালিমের সঙ্গে ভিকটিমের পরিচয় হয়। সে ভিকটিমকে ভালো চাকরির কথা বলে আশ্বাস দেয়। পরবর্তীতে ১ ডিসেম্বর ডালিম তাকে মদনপুর বাসস্ট্যান্ডে আসতে বলে। ২ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় ভিকটিম সেখানে পৌঁছালে ডালিম তাকে মারুফ নামে এক যুবকের কাছে পরিচয় করিয়ে দেয়।

মারুফ ‘ইন্টারভিউ’ নাম করে ভিকটিমকে মদনপুরের একটি গেস্টহাউজে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর ডালিম, মারুফ এবং উজ্জ্বল রুমে ঢুকে ভিকটিমের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। ভালো বেতনের কথা বলে তাকে কুপ্রস্তাব দেওয়া হয়। ভিকটিম রাজি না হয়ে বের হতে চাইলে উজ্জ্বল ও মারুফ তাকে জোর করে আটকে রাখে। পরে ডালিম ও মারুফ তাকে ধর্ষণ করে। চিৎকার করতে চাইলে ভয় দেখানো হয় এবং শেষে জোর করে গেস্টহাউজ থেকে বের করে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর ভিকটিম বন্দর থানায় মামলা করেন। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রচার হলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

মামলা রুজুর পর র‍্যাব-১১ আসামিদের ধরতে নজরদারি বাড়ায়। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-১১, সিপিএসসি নারায়ণগঞ্জ এবং র‍্যাব-৪ এর একটি যৌথ দল ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর দারুসসালাম থানার লালকুঠি এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি মো. ডালিম (৩৭) কে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারের পর তাকে বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।