তারিখ: ১০ জুলাই, ২০২৬
​বরাবর,
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার,
গণভবন, ঢাকা।
​বিষয়: রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা প্রসঙ্গে প্রতিবেদন।
​মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
​সবিনয় নিবেদন, আমি আপনার একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে আপনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও সার্বিক সুরক্ষা ব্যবস্থা সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ আপনার সদয় বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করছি।
​আপনি কেবল রাষ্ট্রপ্রধান বা একটি দলের নেতা নন; আপনি এই দেশের ১৬ কোটি মানুষের অভিভাবক এবং দেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করলে এটি প্রতীয়মান হয় যে, আপনার নেতৃত্বকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মহল নানাবিধ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।
​বর্তমান পরিস্থিতিতে আপনার সুরক্ষা বিষয়ে যে বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা প্রয়োজন:
​নিরাপত্তা বলয় জোরদারকরণ: আপনার বর্তমান নিরাপত্তা বলয়কে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত এবং নিশ্ছিদ্র করা অপরিহার্য। বিশেষ করে ভারতের সাথে বিদ্যমান নিরাপত্তা সহযোগিতাকে আরও সুসংহত করা আপনার সুরক্ষার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
​অন্তর্নিহিত ঝুঁকি মোকাবিলা: আপনার আশেপাশের এবং কাছের অনেক ব্যক্তি বা চক্রের কার্যক্রম ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। তথাকথিত অনুগতদের ছদ্মবেশে লুকিয়ে থাকা বিপদগুলো প্রায়শই রাষ্ট্রের জন্য বড় ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
​শকুনের তৎপরতা: একটি কুচক্রী মহল ক্রমাগত সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে যাতে কোনোভাবে আপনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা যায়। তাদের এই অপতৎপরতা রুখতে রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও নিরাপত্তা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা একান্ত কাম্য।
​মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার জীবন ও নিরাপত্তা কেবল আপনার একার নয়, তা এই ভূখণ্ডের প্রতিটি মানুষের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আপনার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া মানেই রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রাকে থমকে দেওয়া। সুতরাং, আপনার প্রতিটি পদক্ষেপে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন এবং প্রোটোকল কঠোরভাবে অনুসরণের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
​পরিশেষে, মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট আপনার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করছি যাতে আপনি দীর্ঘসময় আমাদের অভিভাবক হিসেবে দেশ পরিচালনা করতে পারেন।
​আপনার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনায়,
​বিনীত,
মো: হারুন অর রশিদ
জার্নালিস্ট ও মানবাধিকার কর্মী
নারায়ণগঞ্জ জেলা।