বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে, যদিও গতি মন্থর। সামাজিক স্থিতিশীলতা ফিরছে ধীরে ধীরে এবং রাজনৈতিক সহাবস্থানও কিছুটা ইতিবাচক। সামরিক খাতে বাংলাদেশ ১৪৫ দেশের মধ্যে ৪০তম অবস্থানে রয়েছে এবং ২০২৩ সালে গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ারের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বাংলাদেশ দ্রুত সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে।

সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে বেসরকারি খাতকে শক্তিশালী করার ঘোষণা দিয়েছেন। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ওষুধশিল্প, উন্নত টেক্সটাইল, ইলেকট্রনিকস, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও লজিস্টিকস খাতের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, সরকার প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা এবং সময়োপযোগী নীতিমালার মাধ্যমে তাদের পাশে থাকবে। তিনি দেশের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, বাংলাদেশে একটি দ্রুত বিকাশমান অভ্যন্তরীণ বাজার এবং তরুণ মানবসম্পদ রয়েছে।

সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বিনিয়োগ আকর্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কেবল বিনিয়োগ আকর্ষণের ওপর নির্ভর করে না, বরং দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ওপরও নির্ভর করে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন বাণিজ্য পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশের জন্য সুবিধাজনক অবস্থান তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশকে সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্কস্তরে রাখা হয়েছে, যা দেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে শক্তিশালী করবে।

ব্রিকস জোটে যোগদানের সম্ভাবনা বাংলাদেশের জন্য আর্থিক ও কৌশলগত সুবিধা নিয়ে আসতে পারে, তবে এর সঙ্গে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণ বাংলাদেশের কৌশলগত গুরুত্বের প্রতিফলন।