
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নতুন নতুন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগর উপকূলে সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। একই সময়ে কাস্পিয়ান সাগরে নিজেদের একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইউক্রেন হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান। এই পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র আপাতত ইরানে হামলা স্থগিত রেখেছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ বহাল থাকলেও হামলা বন্ধের কারণ জানানো হয়নি। গত শনিবার ইরানও প্রতিবেশী দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি বা স্থাপনায় কোনো পাল্টা হামলা চালায়নি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, ট্রাম্প কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দেন। তবে আলোচনায় অগ্রগতি না হলে কী পরিণতি হতে পারে, তা ইরানকে দেখানো হয়েছে।
এদিকে ইয়েমেনে হুতি ও সৌদি আরবের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। হুতিদের মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর জিজান ও ইয়ানবুর স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। সৌদি বাহিনী জানিয়েছে, ইয়ানবুর দিকে ছোড়া দুটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে।
ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সৌদি–সমর্থিত সরকার হুতিদের অবস্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে এবং উভয় পক্ষই সেনা মোতায়েন বাড়াচ্ছে। গত সপ্তাহে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করে হুতিরা।
অন্যদিকে, কাস্পিয়ান সাগরে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেছে ইরান, যাতে একজন নাবিক নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে তেহরান।