
নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোঃ জসিম উদ্দিন আজ জেলার সকল থানা, পুলিশ ফাঁড়ি ও প্রশাসন সংযুক্ত ইউনিট থেকে লুট হওয়া সবধরনের অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারে জনগণের তথ্য-সহযোগিতা চাইতে বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ২৪-এর ৫ আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্রজনতা আন্দোলনের সময় থেকে বিভিন্ন স্থানে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে জেলার সর্বস্তরের জনগণ এগিয়ে আসুক এবং গোপনীয়তা বজায় রেখে তথ্য প্রদান করতে হবে।
পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন আরও জানান, লুন্ঠিত সকল অস্ত্র উদ্ধারে সহযোগিতা ও তথ্যদাতাদের উৎসাহিত করতে এবং নিরাপদ রাখতে সর্বোচ্চ পুরস্কার প্রদানের ঘোষণা করেছেন। তথ্যদাতার নাম-পরিচয় গোপন রাখার পূর্ণবিকল্প আশ্বাসও দেয়া হয়েছে। তিনি সকল নাগরিককে অনুরোধ করেছেন যে — যে কোনো প্রকার অস্ত্র, গুলি, মাদকবাণিজ্য, চাঁদাবাজি বা অপরাধমূলক কার্যক্রম সর্ম্পকে প্রাপ্ত তথ্যাৎই পুলিশকে জানান।
উল্লেখিত নম্বরসমূহে লুন্ঠিত অস্ত্রসংক্রান্ত তথ্যের পাশাপাশি মাদকের ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ভ্রাম্যমাণ দখলবাজি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত তথ্যও প্রদান করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন প্রত্যেক নাগরিককে অনুরোধ করেছেন প্রাপ্ত তথ্য যেন দ্রুত এবং নির্ভারভাবে সংশ্লিষ্ট নম্বরে জানানো হয়। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে তথ্যদাতাদের ব্যক্তিগত পরিচয় সর্বোচ্চ গোপনীয়তা রক্ষা করে রাখা হবে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে দ্রুততর অনুসন্ধান ও উদ্ধারকার্য চালানো হবে। পুলিশ সুপার বলেন, “আমাদের উদ্দেশ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা। অস্ত্র উদ্ধার করা হলে সন্ত্রাস, দস্যুতা ও বিস্তারমান অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পাবলিক- polisi অংশীদারিত্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ।” স্থানীয় জনগণ ও ব্যবসায়ীদের সহায়তা ও তৎপরতাই এলাকায় শান্তি স্থাপনে সহায়ক হবে। আপনি যদি কোনো তথ্য জানেন—সংকোচ করবেন না; গোপনীয়তা রাখা হবে এবং আপনার তথ্য উদ্ধারের পুরষ্কারে পরিণত হবে।