শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি কাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেলা গোয়েন্দা শাখার অভিযানে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার সোনারগাঁও থানা পুলিশ কর্তৃক দস্যুতাকালে ০৫ জন দুষ্কৃতিকারী গ্রেফতার। আশুরা আত্মত্যাগ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার ঈমানী শিক্ষা: খাজাবাবা কুতুববাগী সোনারগাঁ থানার অভিযানে দুর্ধর্ষ ডাকাত রুবেল গ্রেফতার, একাধিক মামলার আসামি সোনারগাঁ থানার অভিযানে ৪৬ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানা পুলিশের অভিযানে ১৬০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার সোনারগাঁয়ে বিশেষ অভিযানে ৭ আসামি গ্রেফতার র‍্যাব-১১ এর মাদকবিরোধী অভিযানে ৪২০ বোতল স্কাফ উদ্ধার, আটক ৩ জিয়া হলের ইতিহাসে আনিসুল ইসলাম সানি: স্বীকৃতির প্রশ্নে কিছু অনিবার্য সত্য তুলে ধরেন

নারায়ণগঞ্জ বন্দরের শীর্ষ সন্ত্রাসী সুজন গ্রেফতার বিদেশী রিভলভার ও ৭ রাউন্ড গুলিসহ আটক ২

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫০৯ বার পড়া হয়েছে
৬২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্কের নাম হয়ে ওঠা শীর্ষ সন্ত্রাসী সুজনকে বিদেশী রিভলভার ও ৭ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১১। এ সময় তার এক সহযোগীকেও আটক করা হয়।
গ্রেফতার সুজন বন্দর ও আশপাশের এলাকায় মাদক, চাঁদাবাজি, জমি দখল ও আধিপত্য বিস্তারের মাধ্যমে একটি সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। নতুন কোনো স্থাপনা নির্মাণ শুরু হলে তার বাহিনীকে মোটা অঙ্কের চাঁদা দিতে হতো বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। চাঁদা না দিলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া, মারধর ও ভয়ভীতি দেখানো ছিল নিয়মিত ঘটনা।
শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন পয়েন্টে পণ্যবাহী ট্রলার ও বাল্কহেড থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করত তার বাহিনী। পাশাপাশি ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও মাসিক চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। সাধারণ মানুষের পৈতৃক জমি ও বসতভিটা জোরপূর্বক দখল করে নামমাত্র মূল্যে দলিল করিয়ে নেওয়া কিংবা পেশিশক্তি প্রয়োগ করে উচ্ছেদ করাও তার পরিচিত কৌশল ছিল।
মদনপুর ও বন্দর এলাকায় গাঁজা, ইয়াবা ও ফেন্সিডিলের একটি বড় মাদক নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে সুজন বাহিনীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে। আধিপত্য বজায় রাখতে সে প্রায়ই সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী ব্যবহার করত বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তার অপরাধ কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে সুজন ও তার সহযোগীদের আইনের আওতায় আনতে র‍্যাব-১১ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত আনুমানিক ৩টা ৩০ মিনিটে র‍্যাব-১১, সিপিএসসি-এর একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বন্দর থানাধীন চানপুর গ্রামে সুজনের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে ১টি বিদেশী রিভলভার ও ৭ রাউন্ড গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী মোঃ সুজন (২৯), পিতা: কানা মতিন এবং তার সহযোগী মোঃ রুবেল (৩৫), পিতা: মৃত আলীকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের উভয়ের বাড়ি বন্দর থানাধীন চানপুর গ্রামে।
র‍্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত সুজনের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় অস্ত্র, ডাকাতি ও হত্যা মামলাসহ অন্তত ২২টি মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews