Skip to content
-
  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
একুশে বাংলা নিউজ একুশে বাংলা নিউজ

সত্যের পথে সময়ের সাথে

একুশে বাংলা নিউজ একুশে বাংলা নিউজ

সত্যের পথে সময়ের সাথে

  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • আইন-আদালত
  • খাদ্য ও পুষ্টি
  • ইসলামিক
  • ধর্ম
  • খেলাধুলা
  • শিল্প-সাহিত্য
  • পড়ালেখা
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • আইন-আদালত
  • খাদ্য ও পুষ্টি
  • ইসলামিক
  • ধর্ম
  • খেলাধুলা
  • শিল্প-সাহিত্য
  • পড়ালেখা
Subscribe
Close

Search

নিজস্ব প্রতিবেদকসারা দেশ

চট্টগ্রামের পানিবন্দী মানুষের পাশে বিরামহীন ডিসি জাহিদ সাতকানিয়ার বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন; সেনাবাহিনীর স্পিডবোটে আজ থেকে উদ্ধার অভিযান

By একুশে বাংলা নিউজ
July 11, 2026 3 Min Read
0

চট্টগ্রামের পানিবন্দী মানুষের পাশে বিরামহীন ডিসি জাহিদ সাতকানিয়ার বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন; সেনাবাহিনীর স্পিডবোটে আজ থেকে উদ্ধার অভিযান

স্টাফ রিপোর্টার | শাফাত রেজা টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ জনপদ এখনো পানির নিচে। সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে সাতকানিয়া উপজেলায়। এমন সংকটময় সময়ে কার্যালয়ে বসে নির্দেশনা দেওয়ার পরিবর্তে সরাসরি দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বন্যাকবলিত এলাকায় গিয়ে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেন, ত্রাণ বিতরণ করেন এবং উদ্ধার কার্যক্রম আরও জোরদারের ঘোষণা দেন। শুক্রবার জেলা প্রশাসক সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়ন ও পৌরসভার বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় ৮০০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ছিল মুড়ি, চিড়া, চিনি, বিস্কুট, বিশুদ্ধ পানি, মোমবাতি, পানি বিশুদ্ধকরণ...
১১৫

স্টাফ রিপোর্টার | শাফাত রেজা

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ জনপদ এখনো পানির নিচে। সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে সাতকানিয়া উপজেলায়। এমন সংকটময় সময়ে কার্যালয়ে বসে নির্দেশনা দেওয়ার পরিবর্তে সরাসরি দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বন্যাকবলিত এলাকায় গিয়ে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেন, ত্রাণ বিতরণ করেন এবং উদ্ধার কার্যক্রম আরও জোরদারের ঘোষণা দেন।

শুক্রবার জেলা প্রশাসক সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়ন ও পৌরসভার বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় ৮০০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ছিল মুড়ি, চিড়া, চিনি, বিস্কুট, বিশুদ্ধ পানি, মোমবাতি, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ।

পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিন, সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মাহমুদুল হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সামছুজ্জামানসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক সাংবাদিকদের জানান, দুর্গম এলাকায় দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসনের অনুরোধে শনিবার থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্পিডবোট নিয়ে উদ্ধার অভিযানে নামছে। কোন উপজেলায় কতটি স্পিডবোট প্রয়োজন এবং কোন এলাকাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, সে বিষয়ে সেনাবাহিনীকে ইতোমধ্যে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

তিনি জানান, টানা প্রায় পাঁচ দিনের বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়িসহ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সাতকানিয়া উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের সবকটিই পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শুধু এ উপজেলাতেই চার লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দী।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামের ১৬টি উপজেলা এবং মহানগরের ১৭৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যাকবলিত হয়েছে। বর্তমানে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৪৮টি পরিবার পানিবন্দী এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৭ লাখ ৫৪ হাজার ৫৯০ জন। পাহাড়ধস, দেয়ালধস ও পানিতে ডুবে এ পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।

জেলা প্রশাসক বলেন, অনেক এলাকায় সাধারণ নৌকাও পৌঁছাতে পারছে না। তাই দুর্গম এলাকায় স্পিডবোট ব্যবহার করে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হবে। উদ্ধার হওয়া মানুষের জন্য জেলার ৬৭০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে প্রায় ২৩ হাজার ৮৫০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে শুকনো খাবারের পাশাপাশি রান্না করা খাবারেরও ব্যবস্থা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য এ পর্যন্ত ৭০০ মেট্রিক টন চাল ও ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩০০ মেট্রিক টন চাল, ৪৩ লাখ টাকা, ২২ হাজার ২৫০টি শুকনো খাবারের প্যাকেট এবং ৯ হাজার ৮০০টি রান্না করা খাবারের প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। বর্তমানে জেলা প্রশাসনের কাছে আরও ৪০০ মেট্রিক টন চাল ও ১৭ লাখ টাকা জরুরি ত্রাণ হিসেবে মজুত রয়েছে।

সাতকানিয়ার জন্য পৃথকভাবে ৯ লাখ টাকা ও ২৫ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইউনিয়নগুলোতে ওই চাল দিয়ে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। জেলার অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাতেও একই কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। জেলা প্রশাসক জানান, সাতকানিয়ার পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শনের পর চট্টগ্রামের জন্য অতিরিক্ত বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।

বর্তমানে সাতকানিয়া, বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়িতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে উদ্ধারকাজে অংশ নিচ্ছে। সন্দ্বীপে সহায়তা করছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এছাড়া পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবকেরাও উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।

দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সরকারি ছুটির দিনেও সবাইকে মাঠপর্যায়ে থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জলাবদ্ধতার কারণ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক বলেন, শুধু খাল দখল নয়, খালে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ফেলার কারণেও পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে। খাল পরিষ্কার করতে গিয়ে ফ্রিজ, জাজিমসহ নানা ধরনের বর্জ্য পাওয়া যাচ্ছে। খাল দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, গত কয়েক দিনের তুলনায় বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে বৃষ্টিপাত আরও কমলে পাহাড়ি ঢলের পানিও নেমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে শনিবার সাংগু নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে স্লুইস গেট ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখতে কাজ চলছে।

বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় মেডিকেল টিম, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং বিশুদ্ধ পানির সরবরাহও প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

প্রাথমিক হিসাবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন ২০টি সড়কের ৫০.৫৬ কিলোমিটার অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া এলজিইডির আওতাধীন ৫১৪টি সড়কের ২৪৭.৬৫ কিলোমিটার অংশ এবং ১৭৬টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “সরকার ও জেলা প্রশাসন বন্যার্ত মানুষের পাশে রয়েছে। পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুত আছে। উদ্ধার, ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সব বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। পরিস্থিতির সম্পূর্ণ উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

তিনি দেশের বিত্তবান ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন এবং স্বেচ্ছাসেবীদের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

Author

একুশে বাংলা নিউজ

সত্যের পথে সময়ের সাথে

Follow Me
Other Articles
Previous

অসুস্থ যুবদল নেতা হাফেজ অলির চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন এমপি পুত্র সজিব

Next

র‍্যাব-১১-এর অভিযানে সোনারগাঁও থেকে বিদেশি পিস্তল উদ্ধার

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

স্বত্ব © ২০২৬ | একুশে বাংলা নিউজ