রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বিলাসবহুল জিপ থেকে ১৪০ কেজি গাঁজা জব্দ, র‍্যাব-১১ এর অভিযান সোনারগাঁওয়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী ১২ মামলার আসামি রাসেল আগ্নেয়াস্ত্রসহ র‍্যাব-১১-এর হাতে গ্রেফতার র‍্যাব-১১-এর অভিযানে বন্দরে ৯ হাজার ৫৫০ পিস ইয়াবাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জ মহানগর কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির ওরিয়েন্টেশন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সোনারগাঁয়ে স্বদেশ পরিবহনের চালকের বিরুদ্ধে যাত্রীকে কামড়ে আহত করার অভিযোগ মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় আইএইচআরসি ট্রাস্টের নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটি আংশিক নেতৃত্ব ঘোষণা। শহীদ জিয়া হলের রূপান্তর: উন্নয়ন নাকি মাদকের অভয়ারণ্য? জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন প্রয়োজন জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক বি. আর. বিলকিসকে ফুলেল শুভেচ্ছা রূপগঞ্জ থানার এএসআই অজয় কুমারের বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ আদায়ের অভিযোগ দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও অরাজকতা রুখতে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার দাবি হারুন এর

সোনারগাঁয়ে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় ৩ জনকে কুপিয়ে জখম

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
  • ২৪২ বার পড়া হয়েছে
৩৪০

তরিকুল ইসলাম নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় এক পরিবারের তিন সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সন্ধ্যায় মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের সহযোগীদের হামলায় একই পরিবারের তিনজন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ইয়াসমিন বেগম কর্তৃক থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার চিহ্নিত কিছু মাদক ব্যবসায়ী প্রকাশ্যে মাদক কেনাবেচা ও আধিপত্য বিস্তার করে আসছিল। গত ৯ মার্চ দুপুরে ইয়াসমিন বেগমের স্বামী মো. মামুন হাসান বিবাদী সায়েদ খাঁন ওরফে সায়েককে তার ছেলেদের মাদক ব্যবসা ও সেবন থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন এবং এলাকার যুবসমাজ ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সায়েদ খাঁন মামুন হাসানের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।
এরই জের ধরে পরদিন ১০ মার্চ সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে ধন্দীর বাজার কবরস্থান সংলগ্ন এলাকায় মামুন হাসানের ছেলে মো. ইমন হোসেন (২১) ও তার ভাতিজা মো. সোহান (২১)-কে একা পেয়ে ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায় অভিযুক্তরা। হামলার এক পর্যায়ে ইমনের বড় ভাই মো. বিল্লাল হোসেন (৩৫) তাদের রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তাকেও পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়, ১ নম্বর বিবাদী সাকিব হত্যার উদ্দেশ্যে ইমনকে লক্ষ্য করে সুইচ গিয়ার (ছুরি) দিয়ে আঘাত করলে তার বাম হাত, কোমর ও পায়ের উরুতে রক্তাক্ত জখম হয়। এছাড়া ৮, ৯ ও ১০ নম্বর বিবাদীদের মারধরে সোহানের ডান হাতের কবজির হাড় ভেঙে যায়। এসময় ধস্তাধস্তির মধ্যে বিল্লালের পকেটে থাকা বিকাশ ব্যবসার নগদ ৯৬ হাজার টাকা মাটিতে পড়ে গেলে অভিযুক্তরা তা ছিনিয়ে নেয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
হামলায় অভিযুক্তরা হলেন— সাকিব (২৫), মো. নজরুল ইসলাম (৫৫), সজিব খাঁন (৪০), সায়েদ খাঁন (৫০), শাকিল (২২), রহম আলী (৫২), মো. বাবুল (২৬), আশ্রাফ আলী (২৭), মোবারক মোল্লা (৫০) ও মো. শহিদুল (৪০)। তারা সবাই পার্শ্ববর্তী আড়াইহাজার উপজেলার ধন্দী গ্রামের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে সাকিব, সায়েদ ও শাকিল সরাসরি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে এলাকাবাসীর দাবি।
বাদিনী ইয়াসমিন বেগম বলেন, “বিবাদীরা অত্যন্ত দুর্ধর্ষ প্রকৃতির। তারা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। আমার ছেলেরা এখন হাসপাতালে কাতরাচ্ছে। স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও বিবাদীরা তা মানতে নারাজ এবং উল্টো আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। আমরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহিবুল্লাহ বলেন, অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দোষীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews